রবিবার, ২৫ অক্টোবর ২০২০, ১০:০৩ অপরাহ্ন
সবশেষ :
শ্রীপুরে আমার বাড়ি আমার খামার প্রকল্পের টাকা বিতরণ শ্রীপুর উপজেলা শিক্ষা অফিসারের বিদায় সংবর্ধনা শ্রীপুর পৌরসভাকে আধুনিক পৌরসভায় রূপান্তর করতে চান সফল ছাত্র রাজনীতিক রবিন অসুস্থ সাংবাদিকের পাশে দাঁড়ালো শ্রীপুর সাংবাদিক কল্যাণ সংস্থা শ্রীপুরে দাবিকৃত চাঁদা না পেয়ে ব্যবসায়ীকে প্রাণনাশের হুমকি বিআরটিএ-এর সহকারি রাজস্ব কর্মকর্তার গ্রাহক হয়রানি-দুর্ব্যবহারের অভিযোগ শ্রীপুরে মুক্তিযোদ্ধাকে মারধর, জমি দখলের ঘটনায় মামলা বস্তুনিষ্ঠ সংবাদ পরিবেশন ও সামাজিক দায়বদ্ধতা মাথায় রেখে সাংবাদিকদের কাজ করতে হবে সাংবাদিকদের কল্যাণে কাজ করবে শ্রীপুর সাংবাদিক কল্যাণ সংস্থা শ্রীপুরে সীমানা প্রাচীর ভাঙচুর করে জমি দখলে নেয়ার হুমকি

বিআরটিএ-এর সহকারি রাজস্ব কর্মকর্তার গ্রাহক হয়রানি-দুর্ব্যবহারের অভিযোগ

নিজস্ব প্রতিবেদক
  • আপডেট টাইম : মঙ্গলবার, ২৯ সেপ্টেম্বর, ২০২০
  • ৫৪ বার পঠিত

গ্রাহক সেবার নামে গ্রাহক হয়রানি ও ঘুষ দুর্নীতির অভিযোগ উঠেছে উত্তরা বিআরটিএ-এর সহকারি রাজস্ব কর্মকর্তা আব্দুস সালামের বিরুদ্ধে। ১৯৯২ সালে তৃতীয় শ্রেণি পদে চাকরি নেওয়ার পর থেকেই বে-পরোয়া হয়ে উঠেন তিনি। গ্রাহক থেকে শুরু করে কর্মকর্তা-কর্মচারী কেউ তার অত্যাচার থেকে রেহাই পায়না বলে অভিযোগ রয়েছে।

নাম প্রকাশের অনিচ্ছুক বিআরটিএ-এর কর্মকর্তা জানায়, আব্দুস ছালাম তৃতীয় শ্রেণি কর্মচারী থাকাকালীন যশোর বিআরটিএ অফিসে ২০০৮ সালে ঘুষ নেওয়ার অপরাধে যৌথবাহিনী তাকে ঘুষের টাকাসহ হাতেনাতে গ্রেফতার করে আদালতে প্রেরণ করেন আদালত তাহার জামিন নামঞ্জুর করে তাকে জেলহাজতে প্রেরণ করেন। তিনি গত আট বছর যাবৎ বিভিন্ন ভাবে প্রভাব খাটিয়ে বিআরটিএ মিরপুর ও উত্তরা অফিসে তার রাজত্ব কায়েম করেন। উত্তরা দিয়াবাড়ি ছয় কাঠা জমির উপর ৯তলা বিশিষ্ট বহুতল ভবন নির্মাণের কাজ চলমান রয়েছে। এখানেও নানান অনিয়ম ও অভিযোগ উঠে সহকারি রাজস্ব কর্মকর্তার বিরুদ্ধে। তিনি অফিসে হাজিরা খাতায় স্বাক্ষর করেই তিনি চলে যান তার নিজ নির্মাণ কাজ তদারকি করতে। এদিকে, গ্রাহকদের ঘন্টার পর ঘন্টা অপেক্ষা করতে হয়। গ্রাহক হয়রানি ও দুর্ব্যবহার নিয়ে একাধিক অভিযোগ করলেও তেমন কোন সমাধান করেনি কর্তৃপক্ষ।

সরেজমিনের গিয়ে দেখা যায়, সেবা নিতে আসা একাধিক গ্রাহক রাজস্ব কর্মকর্তা আব্দুস সালামের বিরুদ্ধে বিভিন্ন রকমের হয়রানি ও দুর্ব্যবহারের অভিযোগ করেন। কথা হয় বিআরটিএ থাকা দালালদের কাছে। একাধিক দালাল জানায়, আব্দুস সালাম স্যারের কাছে কোন ফাইল দেখাতে গেলে আগেই টাকার কথা বলে। আমরা টাকা কম দিলে অকথ্য ভাষায় গালাগালি শুরু করে। গ্রাহক নিজে আসলে তখন শুরু হয় তার সকল নিয়ম-কানুন। আইনের বই বের করে আইন দেখানো হয় কয়েক হাজার। তাছাড়া প্রতিদিনই গ্রাহকদের সাথে ঝগড়া লেগে যায়।

মটরযান পরিদর্শক মো. জহির উদ্দিন বাবরের সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি জানায়, গত বৃহস্পতিবার একটি ফাইল নিয়ে স্বাভাবিক কথা হলে হঠাৎ করে আব্দুস সালাম সহকারি রাজস্ব কর্মকর্তা আমার সাথে দুর্ব্যবহার করে। পরে, একপর্যায়ে পুরো অফিসের কর্মকর্তা-কর্মচারীও চলে আসেন। এতে অফিস কর্মকর্তা-কর্মচারীদের কাছে লজ্জিত হয়েছি।

উত্তরা বিআরটিএ-এর সহকারি পরিচালক ইঞ্জিনিয়ার মো. শহিদুল আযম জানান, সহকারি রাজস্ব কর্মকর্তা আব্দুস সালামের বিষয়ে লিখিত ও মৌখিক অনেক অভিযোগ করেছি। এখন পর্যন্ত তেমন কোন ব্যবস্থা গ্রহণ করেনি কর্তৃপক্ষ। এ কর্মকর্তার বিরুদ্ধে একাধিক অভিযোগ থাকার সত্ত্বেও তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিচ্ছে না কর্তৃপক্ষ। অফিস কর্মকর্তা-কর্মচারী ছাতাও সেবা নিতে আসা গ্রাহকরাও অতিষ্ঠ হয়ে যায় তার হয়রানি-দুর্ব্যবহার।

নিউজটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরো খবর..
© All rights reserved © 2020 Raytahost
ডিজাইন ও কারিগরি সহযোগিতায়: রায়তা-হোস্ট
banglatimes_y6e209