বুধবার, ২১ অক্টোবর ২০২০, ১০:৫৬ পূর্বাহ্ন
সবশেষ :
শ্রীপুরে আমার বাড়ি আমার খামার প্রকল্পের টাকা বিতরণ শ্রীপুর উপজেলা শিক্ষা অফিসারের বিদায় সংবর্ধনা শ্রীপুর পৌরসভাকে আধুনিক পৌরসভায় রূপান্তর করতে চান সফল ছাত্র রাজনীতিক রবিন অসুস্থ সাংবাদিকের পাশে দাঁড়ালো শ্রীপুর সাংবাদিক কল্যাণ সংস্থা শ্রীপুরে দাবিকৃত চাঁদা না পেয়ে ব্যবসায়ীকে প্রাণনাশের হুমকি বিআরটিএ-এর সহকারি রাজস্ব কর্মকর্তার গ্রাহক হয়রানি-দুর্ব্যবহারের অভিযোগ শ্রীপুরে মুক্তিযোদ্ধাকে মারধর, জমি দখলের ঘটনায় মামলা বস্তুনিষ্ঠ সংবাদ পরিবেশন ও সামাজিক দায়বদ্ধতা মাথায় রেখে সাংবাদিকদের কাজ করতে হবে সাংবাদিকদের কল্যাণে কাজ করবে শ্রীপুর সাংবাদিক কল্যাণ সংস্থা শ্রীপুরে সীমানা প্রাচীর ভাঙচুর করে জমি দখলে নেয়ার হুমকি

করোনা সংক্রমণে উহানকে ছাপিয়ে গেল মুম্বাই

বাংলাটাইম ডেস্ক
  • আপডেট টাইম : বুধবার, ১০ জুন, ২০২০
  • ৬৬ বার পঠিত

দু’দিন আগেই আক্রান্তের সংখ্যায় চীনকে ছাড়িয়েছিল মহারাষ্ট্র। মঙ্গলবার করোনার উৎস উহানকে ছাপিয়ে গেল রাজ্যটির রাজধানী মুম্বাই। সেখানে এ পর্যন্ত ৫১ হাজারেরও বেশি মানুষ করোভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছেন।

মঙ্গলবার ভারতীয় স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের দেয়া তথ্যমতে, মহারাষ্ট্রে একদিনে নতুন রোগী শনাক্ত হয়েছেন ২ হাজার ২৫৯ জন। এর মধ্যে মুম্বাইয়েরই রয়েছেন ৭০০ জন।
মহারাষ্ট্রে এ পর্যন্ত মোট ৩ হাজার ২৮৯ জনে করোনায় প্রাণ হারিযেছেন। এর মধ্যে শুধু মুম্বাইতেই মারা গেছেন ১ হাজার ৭৬০ জন।

মুম্বাইয়ে করোনার সংক্রমণ দ্রুত বাড়ার অন্যতম কারণ ধারাভি বলেই মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা৷ বিশ্বের সর্ববৃহৎ এ বস্তিতে সামাজিক দূরত্ব না থাকায় হু হু করে বাড়ছে রোগীর সংখ্যা।

রাজ্যগুলোর মধ্যে মহারাষ্ট্রের পর সবচেয়ে বেশি আক্রান্ত তামিলনাড়ু। দক্ষিণাঞ্চলীয় রাজ্যটিতে এ পর্যন্ত ৩০৭ জন মারা গেছেন, আক্রান্ত হয়েছেন ৩৪ হাজার ৯১৪ জন। সংক্রমণ বাড়ছে দিল্লিসহ অন্যান্য রাজ্যগুলোতেও।

জানা যায়, ভারতে শনাক্ত রোগীর সংখ্যা ১ লাখ হতে সময় নিয়েছিল ১১০ দিন। পরবর্তী ১ লাখ সংক্রমিত হয় মাত্র ১৫ দিনে। কিন্তু রোগ ছড়ানোর এখন যা গতি, তাতে এই সংখ্যাটা ২ থেকে ৩ লাখে পৌঁছাতে আর সপ্তাহখানেক লাগতে পারে বলে আশঙ্কা করছেন বিশেষজ্ঞরা।

রাজ্যগুলোর মধ্যে মহারাষ্ট্রের পর সবচেয়ে বেশি আক্রান্ত তামিলনাড়ু। দক্ষিণাঞ্চলীয় রাজ্যটিতে এ পর্যন্ত ৩০৭ জন মারা গেছেন, আক্রান্ত হয়েছেন ৩৪ হাজার ৯১৪ জন। সংক্রমণ বাড়ছে দিল্লিসহ অন্যান্য রাজ্যগুলোতেও।

জানা যায়, ভারতে শনাক্ত রোগীর সংখ্যা ১ লাখ হতে সময় নিয়েছিল ১১০ দিন। পরবর্তী ১ লাখ সংক্রমিত হয় মাত্র ১৫ দিনে। কিন্তু রোগ ছড়ানোর এখন যা গতি, তাতে এই সংখ্যাটা ২ থেকে ৩ লাখে পৌঁছাতে আর সপ্তাহখানেক লাগতে পারে বলে আশঙ্কা করছেন বিশেষজ্ঞরা।

সর্বোচ্চ সংক্রমণের রেকর্ডের মধ্যেই সোমবার থেকে করোনা সংক্রান্ত নিষেধাজ্ঞা তুলে নেয়ায় ভারতে শুরু হয়েছে ‘আনলক-১’। বিধিনিষেধ প্রত্যাহারের কারণে অর্থনৈতিক কার্যক্রম প্রায় পুরোটাই সচল। তবে এর মধ্যেই ভয় জাগাচ্ছে দৈনিক আক্রান্ত ও মৃত্যুর সংখ্যা। প্রতিদিন তিন শতাধিকেরও বেশি মানুষ মারা যাচ্ছে দেশটিতে।

সূত্র: নিউজ১৮

নিউজটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরো খবর..
© All rights reserved © 2020 Raytahost
ডিজাইন ও কারিগরি সহযোগিতায়: রায়তা-হোস্ট
banglatimes_y6e209